ঘরে বসে হোক বা বাইরে — jilib অ্যাপ আপনাকে সবসময় লাইভ স্কোর, তাৎক্ষণিক বেট এবং দ্রুত উইথড্রয়ালের সুবিধা দেয়। একবার ডাউনলোড করুন, পার্থক্যটা নিজেই টের পাবেন।
ওয়েবসাইটের সব সুবিধা মোবাইলে — আরও দ্রুত, আরও সহজ, আরও স্মার্ট।
Android ও iOS দুটোতেই প্রক্রিয়া সহজ। নিচে ধাপগুলো দেওয়া আছে, একবার পড়লেই বুঝে যাবেন।
jilib অ্যাপটি কোন ডিভাইসে চলে, কতটুকু জায়গা লাগে — সব তথ্য এখানে।
বাংলাদেশে এখন মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা কম্পিউটার ব্যবহারকারীর চেয়ে অনেক বেশি। এই বাস্তবতাকে মাথায় রেখেই jilib তার মোবাইল অ্যাপটি তৈরি করেছে। শুধু ওয়েবসাইটকে ছোট স্ক্রিনে দেখানো নয় — বরং পুরো অভিজ্ঞতাটাকে মোবাইলের জন্য নতুনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে।
যারা নিয়মিত ক্রিকেট বেটিং করেন তারা ভালো করেই জানেন — একটা ওভারে কতটা কিছু বদলে যেতে পারে। উইকেট পড়লে অডস বদলায়, ছক্কা হলে অডস বদলায়। ব্রাউজারে পেজ রিফ্রেশ করতে করতে সময় নষ্ট হয়। jilib অ্যাপে এই সমস্যা নেই — অডস সরাসরি রিয়েল-টাইমে আপডেট হয়, পেজ রিফ্রেশের ঝামেলা ছাড়াই।
অনেকে ভাবেন অ্যাপ ডাউনলোড না করে শুধু ব্রাউজারেই কাজ চালিয়ে নেওয়া যায়। এটা সত্যি যে jilib-এর মোবাইল সাইটও ভালো, কিন্তু অ্যাপের কিছু সুবিধা আছে যেগুলো ব্রাউজারে পাওয়া সম্ভব নয়।
প্রথমত, পুশ নোটিফিকেশন। ব্রাউজারে বসে কেউ আপনাকে জানাতে পারবে না যে আপনার প্রিয় দলের ম্যাচ শুরু হয়েছে বা বোনাস এসেছে। jilib অ্যাপে এই নোটিফিকেশন ব্যবস্থা আছে — ফোনে একটা ভাইব্রেশন হলেই আপনি বুঝতে পারবেন কী হচ্ছে।
দ্বিতীয়ত, লোডিং স্পিড। অ্যাপে সব রিসোর্স লোকালি সেভ থাকে, তাই পেজ খুলতে অনেক কম সময় লাগে। দুর্বল নেটওয়ার্কেও jilib অ্যাপ মোটামুটি স্বাভাবিকভাবে কাজ করে — যেটা ব্রাউজারে প্রায়ই হয় না।
তৃতীয়ত, বায়োমেট্রিক লগইন। ফিঙ্গারপ্রিন্ট বা ফেস আইডি দিয়ে এক সেকেন্ডে লগইন — এটা শুধু অ্যাপেই পাওয়া যায়।
অ্যাপটি খুললে প্রথমেই লাইভ ম্যাচগুলো দেখা যায়। বাংলাদেশের ব্যবহারকারীদের কথা ভেবে ক্রিকেটকে সবার আগে রাখা হয়েছে। IPL, বিপিএল, বাংলাদেশ জাতীয় দলের ম্যাচ — সব কিছু লাইভ অডস সহ দেখানো হয়।
বেট স্লিপের ডিজাইনটা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। একটু সময় নিয়ে একাধিক বাজি অ্যাকুমুলেটর হিসেবে রাখা যায়, প্রতিটির সম্ভাব্য জয়ের পরিমাণ তাৎক্ষণিকভাবে দেখা যায়। এই ক্যালকুলেশনটা মাথায় করতে বলা হলে অনেক সময় লাগত — এখন এক নজরে সব বোঝা যায়।
জিতলে টাকা অ্যাকাউন্টে আসে, চাইলে সাথে সাথে উইথড্রয়াল দেওয়া যায়। বিকাশ নম্বরে টাকা পাঠাতে গড়ে ১৫ থেকে ৩০ মিনিট লাগে — এটা বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে বেশ দ্রুত।
এই প্রশ্নটা অনেকেই করেন এবং এটা করা উচিতও। যেকোনো অ্যাপ ডাউনলোডের আগে নিরাপত্তার বিষয়ট া ভাবা জরুরি।
jilib অ্যাপটি সরাসরি jilib-এর নিজস্ব সার্ভার থেকে পরিবেশন করা হয়। তৃতীয় পক্ষের কোনো অ্যাপ স্টোর বা অনির্ভরযোগ্য সাইট থেকে ডাউনলোড করার দরকার নেই। অ্যাপটিতে SSL এনক্রিপশন ব্যবহার করা হয়, অর্থাৎ আপনার পেমেন্ট তথ্য এবং ব্যক্তিগত ডেটা সুরক্ষিত থাকে।
লগইন সেশনে টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন চালু করার অপশন আছে — এটা ব্যবহার করলে অ্যাকাউন্টের নিরাপত্তা আরও বাড়ে। jilib কখনো ইমেইল বা SMS-এ পাসওয়ার্ড চায় না — এই ধরনের কোনো বার্তা পেলে সেটা ফিশিং বলে ধরে নিন।
ঢাকা হোক বা চট্টগ্রাম, সিলেট হোক বা রাজশাহী — jilib অ্যাপ সারা বাংলাদেশে একইভাবে কাজ করে। গ্রামের দিকে নেটওয়ার্ক একটু দুর্বল হলেও অ্যাপের অপ্টিমাইজড ডেটা ব্যবহারের কারণে বেটিং অভিজ্ঞতা প্রায় অক্ষুণ্ণ থাকে।
অ্যাপের ইন্টারফেস পুরোপুরি বাংলায়। মেনু, বাটন, নির্দেশনা — সব কিছু সহজ বাংলায় লেখা। যারা ইংরেজিতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন না তাদের জন্য এটা বিশেষভাবে সুবিধাজনক।
পার্থক্যটা নিজেই দেখুন — কোনটা আপনার জন্য বেশি উপযুক্ত।
jilib অ্যাপ ব্যবহারকারীদের সরাসরি অভিজ্ঞতা।
অ্যাকাউন্ট তৈরি করুন, অ্যাপ ইনস্টল করুন এবং প্রথম ডিপোজিটে বোনাস পান। শুরু করতে মাত্র কয়েক মিনিট লাগবে।